টাকের চিকিৎসা

আমার টাক পড়ে যাচ্ছে আর তাতে আমি খুব চাপে থাকছি। এব্যাপারে আমি কী করতে পারি?

টাকের চিকিৎসা কী? কীভাবে আমি টাক সরিয়ে ফেলতে পারি? টাকের জন্য কী প্রতিবিধান ও চিকিৎসা রয়েছে?



বহু প্রাচীন কাল থেকেই বহু পুরুষ মানুষ এই প্রশ্নগুলি করে আসছেন। তবে সবশেষে একটা বৈজ্ঞানিক সমাধান এসে গেছে আর তা হলো ‘কেশ প্রতিস্থাপন’ এবং সবচেয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কেশ প্রতিস্থাপন, FUE পদ্ধতি অবশেষে উত্তর-পূর্বের রাজ্য আসামের গুয়াহাটিতে এসে গেছে।





দুর্ভাগ্যজনকভাবে সমস্ত পুরুষেরই টাক অবশ্যসম্ভাবী। এটা পুরুষদের জিনেটিক কোডের মধ্যেই লেখা রয়েছে এবং বয়সের সাথে সাথে এটা আসবেই।

তবে টাক একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন এটা অত্যধিক হয়, যেমন কুড়ি বা তিরিশের দোড়গোড়ায় যে তরুণদের টাক পড়তে শুরু করেছে বা চল্লিশের গোড়ায় থাকা একজন লোকের যখন 60বছর বয়সী লোকের মতো টাক পড়ে। যে বয়সেই হোক অতিরিক্ত টাক সবসময়েই একটা প্রসাধনী সমস্যা, তা সে 20 বা 60 যে বয়সেই হোক না কেন, কারণ এটা একজন মানুষের চেহারার একটা ঘাটতি হিসেবে মনে করা হয়।

এই ধরনের অত্যধিক টাক একজন মানুষকে তাঁর বয়সের তুলনায় অনেক বেশি বুড়ো দেখায়। যার টাক হয়েছে টাক সেই মানুষটির সামাজিক ও পেশাগত জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং যারা স্পর্শকাতর তাঁরা এব্যাপারে অনেক বেশি আত্ম সচেতন হয়ে পড়েন এবং অন্যদের সঙ্গে সহজে আলাপ চালাতে পারেন না।

মহিলাদের টাক তাঁদের আরো বেশি দুর্বল করে দেয়, কারণ মহিলারা তাঁদের চেহারা নিয়ে অনেক বেশি স্পর্শকাতর হন এবং চুল হলো আমাদের চেহারার একটা অসাধারণ মহিমা।


আসামের গুয়াহাটিতে এবং উত্তর পূর্বে ডাঃ পি জে মজুমদার এবং ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক চুল প্রতিস্থাপনের জন্য সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির প্রচলন করলেন। এফ ইউ ই প্রক্রিয়া, যেটি অত্যন্ত কার্যকরী, যন্ত্রণামুক্ত এবং রোগীদের জন্য খুবই আরামদায়ক।
ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক গত তিন বছর ধরে চলছে এবং সমগ্র আসাম ও মেঘালয়া, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বে 500-রও বেশি রোগীকে এখনো পর্যন্ত কার্যকরীভাবে চিকিৎসা করেছে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টাক সারাতে বিভিন্ন পদ্ধতি চেষ্টা করা হয়েছে। টাক সরিয়ে ফেলতে কী কী পদ্ধতি রয়েছে? আসুন আমরা সেগুলি জেনে নিই।

ম্যাজিক কিওর: বিভিন্ন দেশে এর জন্য অসংখ্য যাদুকরী চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়েছে। বেশিরভাগ যাদুকরী চিকিৎসাই একেবারেই অসম্ভব এবং এর মধ্যে রয়েছে ইঁদুরের বিষ্ঠা, টাকে কোনো ছোটো ছেলের যৌনাঙ্গ ছোঁয়ানো, তাপ প্রয়োগ, ঠাণ্ডা, ভ্যাকিউম প্রভৃতি।

মেসোথেরাপি: মেসোথেরাপি একটা ম্যাজিকের চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই কাজটার ব্যাপারে কোনো রকম বৈজ্ঞানিক প্রমাণও নেই। মেসোথেরাপি সম্পর্কে একটা নিবন্ধ পড়তে এখানে দেখুন।

হেয়ার অয়েল: এর জন্য বিভিন্ন ধরনের কেশ তেল ব্যবহার করে চেষ্টা চালানো হয়েছে। ভারতে এই ধরনের তেলের বেশ সুনামও রয়েছে। এর মধ্যে নারকেল তেল, তিলে তেল, ক্যাস্টর অয়েল প্রভৃতি রয়েছে। তবে লক্ষ লক্ষ টাকওয়ালা মানুষের উপর পরীক্ষা করলেও এর এগুলির কোনোটাই কাজে দেবে না এবং টাক ঠেকাতে কিছুই করতে পারবে না।





হেয়ার স্টাইল: টাক ঢাকা দিতে চুলের স্টাইল বদলানো যেতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ যে স্টাইলটা নেওয়া হয় সেটা হলো ‘কম্ব ওভার’ এতেমাথার পাশে লম্বা বর্ধনশীল চুলগুলি নিয়ে যাওবা হয় এবং তারপর সেটাপাশের দিকে আঁচড়েটাক এলাকা ঢাকতে কাজে লাগানো হয়। টাকের প্রাথমিক পর্যায়ে এটা খুবই কার্যকরী। কিন্তু টাক যত বাড়বে, কম্ব ওভার তত স্পষ্টভাবে অস্বাভাবিক হয়ে চোখে পড়বে এবং পরবর্তী পর্যায়ে এটা বেশ হাস্যরসাত্মক হয়ে উঠবে। জাপানীরা এটাকে ‘বার কোড’ স্টাইল বলেন কারণ টাকের উপর দিয়ে আড়াআড়ি চুলগুলি একটা বার কোডের মতো দেখায়। হতাশা থেকে বহু মানুষই ছোট চুল রাখতে শুরু করেন, মাত্র কয়েক মিলিমিটার লম্বা। এটাও খুব কার্যকরী হয়, কারণ চেহারাটা পুরো বদলে যায়, টাক নজরে পড়ে না কিন্তু অবশ্যই মানুষটিকে এই চেহারা ধরে রাখতে হবে। কেউ কেউ আবার পুরো ন্যাঁড়া হয়ে যান। এটাও খানিকটা অন্যরকম কিন্তু এটা করতেও সাহস থাকতে হবে।

টুপি : নিয়মিত একটা টুপি পড়া হলো টাক ঢাকার সহজতম উপায়। এটা কার্যকরী হয় তবে এটা এমন কোনো স্টাইল নয় যা অনেকেই গ্রহণ করতে চাইবেন। আর পেশাগত দিক দিয়ে এটা খুব একটা সাহায্য করবে না, অফিস, মিটিং, সামাজিক অনুষ্ঠান সব জায়গায় টুপি পরে ঘোরাটা মুশকিল।

হেয়ার উইগ: টাক ঢাকার জন্য উইগ বা পরচুলা হলো খুবই প্রাচীনতম পদ্ধতি। প্রাচীন মিশরেও উইগ ব্যবহার করা হতো এবং বিশ্বজুড়ে এটা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে উইগ আরো পরিশীলিত হয়েছে এবং বিভিন্ন কৃত্রিম ফাইবার ও প্রাকৃতিক চুলের সংমিশ্রণে এটার চেহারাও দারুণ হয়েছে।কিন্তু সমস্যা হলো সমস্ত কাজকর্ম এবং সামাজিক মেলামেশার সময় স্বাভাবিকভাবেই খুব কাছ থেকে দেখলে উইগ বা পরচুলা সত্যিই আসলের মতো দেখতে হয় না।সবসময়েই একটা ভয় কাজ করে যে পরচুলা নড়ে যায়নি তো। তা ছাড়াও মূল অসুবিধাটা হলো এর কোনো হেয়ারলাইন থাকে না। তাই সামনে থেকে দেখলে পরচুলা আর স্কাল্পের মধ্যে সামান্য একটা ফাঁক জ্বলজ্বল করে এবং পরচুলা পরে থাকবেন অথচ কারো চোখে তা ধরা পড়বে না, এটা একেবারেই অসম্ভব। যাঁরা এটা পরেন তাঁরা সবসময়েই সচেতন থাকেন যে পরচুলাটা পড়ে যাবে না তো, কিংবা কেউ তাঁকে দেখছে কিনা। আর লোকজনও পরচুলা পরা কাউকে দেখা মাত্র অন্য কাউকে নজর করিয়ে বলেন, দেখুন ওই লোকটার মাথায় পরচুলা। পরচুলা আসলে কখনোই তেমন জনপ্রিয় হয়নি যদিও এগুলি বহুদিন ধরেই রয়েছে।

হেয়ার ওয়েভিং:: হেয়ার ওয়েভিংয়ে আপনার নিজস্ব প্রাকৃতিক চুলের মধ্যে আরো চুলের স্ট্র্যান্ড যোগ করা হয়। বহু উপায়ে এই হেয়ার ওয়েভিং করা হয়ে থাকে। এই চুলের গোছা প্রাকৃতি চুল হতে পারে যা সেই লোকদের থেকে সংগ্রহ করা হয় যারা তাদের চুল বেচে দেন বা এটা কৃত্রিম চুলও হতে পারে, অনেক ধরনের কৃত্রিম চুল রয়েছে। অনেক রকম উপায়েই চুল বাঁধা যেতে পারে। ক্লিপ উপায় হলো যখন ছোট ছোট ক্লিপ দিয়ে চুলের গোছার সঙ্গে স্ট্র্যান্ডগুলি আটকানো হয়। আঠা দিয়েও চুল সাঁটা যায়, কম স্থায়ী পদ্ধতিতে সফ্ট গ্লু ব্যাবহার করা হয় যা আরামদায়ক কিন্তু অস্থায়ী, হার্ড গ্লু বেশিদিন চলে তবে অস্বস্তিকর। ফিউশন পদ্ধতিতে গরম গ্লু ব্যবহার করা হয় যেখানে গ্লু আরো সুবিধাজনক কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী করতে গ্লু গরম করা হয়। হেয়ার ওয়েভিংয়ের একটা বড় সুবিধা হলো টাকের প্রাথমিক পর্যায়ে এটা খুবই সফল হতে পারে। যখন খুব সামান্য পরিমাণে অতিরিক্ত চুল দরকার তখন কার্যত এটা নজর করাই যায় না। এর বড় অসুবিধাটা হলো এর রক্ষণাবেক্ষণটা অনেক বেশি দরকার। কিছু ধরনের ওয়েভিংয়ে আপনি চুল ধুতে বা আঁচড়াতে পারবেন না। অন্যগুলিতে বিশেষ ধরনের চিরুনি ও শ্যাম্পু লাগে। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত মেইটেনেন্স ভিজিট করতে হয় কিছু পদ্ধতিতে 3সপ্তাহ অন্তর, অন্যগুলিতে সর্বোচ্চ 2-3মাস বাদে বাদে। এর কারণ হলো যে চুল রয়েছে তার সঙ্গে নতুন আরো চুল যুক্ত করতে হয়, এবং চুল যেহেতু বাড়ে তাই কৃত্রিম চুলকে নতুন করে আবার গোড়ায় বসাতে হয়। এই রক্ষণাবেক্ষণটা বেশ কষ্টসাধ্য, বেশিরভাগ লোকই যদি পূর্ণ উৎসাহে ওয়েভিং শুরু করে, কিন্তু কম লোকই এক বছরের বেশি টানতে পারেন। রক্ষণাবেক্ষণের খরচও অনেক বেশি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকা বেশি পড়ে গেলে ওয়েভিং আর কোনো কাজে আসে না কারণ তখন সেটা উইগ বা পরচুলার মতো দেখতে লাগে।

কেশ প্রতিস্থাপন: এবং সবশেষে হলো কেশ প্রতিস্থাপন। কেশ প্রতিস্থাপন এমন একটা প্রভাব ফেলে যা এগুলির যে কোনোটির তুলনায় অনেক বেশি ভালো। প্রতিস্থাপিত চুল একটা স্বাভাবিক হেয়ারলাইন তৈরি করে ঠিক যেমনটা টাকা পড়া মানুষটির আগে ছিল, এবং কার্যত এমন কোনো উপায় নেই যে যে কেউ দেখেই বলে দেবে এটা নতুন চুল আর এটা পুরোনো, এমনকি ভালো করে পরীক্ষা করেও তারা এটা বলতে পারবে না।এর কারণ হলো এটা লোকটার নিজস্ব চুল। তাই চুলের রং, ঢেউ খেলানো, বুনোট প্রভৃতি একেবারে একই রকম। চুল লম্বা হয় ও কাটা যায় , আঁচড়ানো যায় এবং প্রাথমিক অস্ত্রোপচার পর্বের পর আর কোনো বিশেষ রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই। মানুষটা সেই আগের চেহারাই ফিরে পান, যেমনটা তাঁর টাক পড়ার আগে ছিল। এতে মুখ্য অসুবিধাটা হলো- এতে খরচটা বেশি পড়ে। তবে এটা এককালীন খরচ এবং অন্য ধরনের পদ্ধতিগুলির তুলনায় সস্তাই পড়ে কারণ সেগুলিতে বেশ কয়েকবার টাকা দিতে হয় আর তাতে বাস্তবে দীর্ঘমেয়াদে আরো বেশি খরচসাধ্য হয়ে পড়ে। আর এই কারণেই কেশ প্রতিস্থাপন সস্তা হয় কারণ এতে চুল আজীবন টেকে। নতুন চুল সেই মানুষটার সারা জীবন ধরেই থেকে যায়। একবার সেই সময়টার কথা ভাবুন, আপনার যে বন্ধুর আজ চুল রয়েছে, 50বছর বয়সের পর তাঁর টাক পড়তে শুরু করবে, কিন্তু আপনার তখনও একই রকম সুন্দর হেয়ারলাইন থেকে যাবে আর আপনাকে সেসময় তাঁর থেকে অনেক বেশি তরুণ দেখাবে।

Read up here কেশ প্রতিস্থাপন সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে এখানে পড়ুন।


ডাঃ পি জে মজুমদার।
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক


এটি অবস্থিত
ডাউনটাউন হসপিটাল, দিসপুর,,
গুয়াহাটি,
আসাম.

ফোন: 09864014046.
.


সঠিক খরচ এবং অন্যান্য তথ্য জানার জন্য, এবং অ্যাপয়মেন্টের জন্য, এই নম্বরে এস এম এস করুন বা সরাসরি ফোন করুন ⇒ 09864014046

অথবা ইমেইল করুন ⇒ email

পরামর্শের সময়:

ডাউনটাউন হসপিটাল:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর 2টা থেকে 5টা পর্যন্ত
ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক,
115 নম্বর ঘর, 1নম্বর বিল্ডিং, ডাউনটাউন হসপিটাল

আরোগ্যম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন বিকেল 5টা থেকে 7টা পর্যন্ত।
ঠিকানা:
আরোগ্যাম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক
রুক্ষ্মিনীগাঁও, জি এস রোড, 6মাইলের দিকে ডাউনটাউন হসপিটাল থেকে প্রায় 50মিটার দূরে।
পিআইবিসিও এবং এইচ ডি এফ সি ব্যাঙ্কের বিপরীতে
ফোন:
09854041111, 8811077011


আপনি যদি আমাদের পরিষেবা উপভোগ করে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে একটা গুগল রিভিউ করে দিন গুগল রিভিউ:
Google Review

গুণমানের নিশ্চয়তা:
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক সেই গুণমান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে যা প্রত্যেক রোগীর ক্ষেত্রেই বজায় রাখা হয়। গুণমান রক্ষণাবেক্ষন বজায় রাখার চাবিকাঠি হলো পরিমাপযোগ্য গুণের মাপকাঠির রূপায়ন ও সঠিক ডকুমেন্টেশন ও প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা বজায় রাখা। ডাউনটাউন হসপিটালটি একটি ISO 9001:2008 এবং NABH স্বীকৃত হসপিটাল যা গুণমান নিয়ন্ত্রণের প্রতি কঠোর আনুগত্য দাবি করে। গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি হলো:

100% নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: সমস্ত প্রক্রিয়াগুলিই করা হয় প্রয়োজনীয় অ্যানাস্থেসিওলজিস্ট ও ক্রিটিকাল কেয়ার স্পেশালিস্টদের দিয়ে ডাউনটাউন হসপিটালের মূল ওটি-তে। তাই রোগীরা ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারি সহ বড় বড় অস্ত্রোপচারের মতোই পূর্ণ নিরাপত্তার মান নিশ্চিত থাকেন।

100% স্টেরিলাইজেশনের নিশ্চয়তা: মেজর ওটি-তেই যেহেতু প্রক্রিয়াগুলি হয় তাই স্টেরিলাইজেশন বজায় থাকে। প্রতি সপ্তাহে ফিউমিগেশন করা হয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সোয়াব টেস্ট করা হয়।

সবচেয়ে ভালো যন্ত্রপাতি: আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক উপলব্ধ সেরা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে যেমন নিখুঁত ও নির্ভুল করতে 6X হাইনে আতস কাঁচ, ব্লান্ট টাইটেনিয়াম পাঞ্চ যা গ্রাফ্টের ক্ষতি ও ট্রান্সেক্শন এড়ায়, রোপন প্রক্রিয়ার মান ধরে রাখতে ও রোপনের সময় ক্ষতি এড়াতে চোই ইমপ্ল্যান্টার্স, বড় ধরনে ওটি স্টেরিলাইজেশন, সমস্ত যন্ত্রপাতির ফিউমিগেশন এবং অটোক্লেভিং প্রভৃতি।

কর্মক্ষমতা গণনা: ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির মতো ফিউ-এর কর্মক্ষমতা গণনাগুলি নোট করা হয় এবং প্রত্যেকটি কেসের জন্য ডকুমেন্টেশন হয় এবং প্রতি 10টি কেসের এই তথ্যগুলি পর্যালোচনা করা হয়। আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ধারাবাহিকভাবে ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির আন্তর্জাতিক মাপকাঠি পূরণ করে আসছে। সঠিক প্রাপক ঘনত্ব: সঠিক প্রাপক ঘনত্ব নিশ্চিত করতে, ‘ডেনসিটি স্ট্যাম্প’ ব্যবহার করা হয়। চুলের কোণ ও দিশাগুলি নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়।

আউট অব বডি টাইম: আউট অব বডি টাইম হলো সেই সময়টা যতক্ষণ গ্রাফ্ট শরীরের বাইরে থাকে, কেশ প্রতিস্থাপনে সাফল্যের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই সময়টা যাতে ন্যূনতম হয় তা নিশ্চিত করতে আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যানডট একটা বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে। একবারে শুধুমাত্র 500-600 গ্রাফ্ট নিয়ে কাজ করে এবং সেগুলিকে নতুন করে রোপন করেই এটা করা হয়। এর ফলে নিশ্চিত করা যায় যেন আউট অব বডি টাইম 1 ঘন্টা বা তার থেকেও কম সময় হয়।এই সংক্ষিপ্ততম সময়টাই অর্জনযোগ্য। বহু সেন্টারই একই বারে 2000-2500 গ্রাফ্ট করে ফলে আউট অব বডি টাইম 4-5ঘন্টা হয়ে যায়। আমরা আমাদের আউট অব বডি টাইম নিয়েই গর্বিত। এতে যদিও কিছুটা সময় দিতে হয় কিন্তু ফলাফল আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফলো আপ: রোগীদের মনে যখন অনেক সন্দেহ ও উদ্বেগ থাকে তখন এই ফলো আপ পর্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে রোগীদের কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ক্লিনিকে, ড. পি. জে. মজুমদারের সঙ্গে রোগীরা সবসময় যোগাযোগ করতে পারেন তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে।



ড. পি. জে. মজুমদারের শিক্ষাগত শংসাপত্র এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: শিক্ষাগত শংসাপত্র। তাঁর জীবনবৃত্তান্ত এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: জীবনবৃত্তান্ত। যোগাযোগের ঠিকানা ও অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণ জানার জন্য যোগাযোগ-এ যান। ব্লগে বরভিন্ন ব্লগ পোস্ট রয়েছে মূলত যা কেশ প্রতিস্থাপনের উপরেই। ডাউনটাউন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিকে করা কেশ প্রতিস্থাপন কেসগুলির ছবি দেখতে গ্যালারিতে যান। ব্লগ, ফোরাম ও গ্যালারি পেজগুলি এখনও নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে, অনুগ্রহ করে মাস খানেক পর আবার দেখুন।

পলাশ মজুমদারের দ্বারা রচিত

নিবন্ধের তালিকা

List of articles



ৰচনাৰ সুচী

आलेखों की सूची