চুল পড়ার কারণগুলি

চুল পড়ার মূল কারণ হলো মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেস, বা অ্যান্ড্রোজিনেটিক অ্যালোপেসিয়া।

এটা হলো এমন একটা পরিস্থিতি যা কেবলমাত্র পুরুষদেরই হয়। 20 বছর থেকে বৃদ্ধ বয়স যে কোনো বয়সেই এটা হতে পারে।





মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। যা জানা গেছে তা হলো এটা জেনেটিক্স সাথে যুক্ত এবং টেসটোসটের মাত্রার সঙ্গেও এর যোগাযোগ রয়েছে।পুরুষদের টাকের নিঃসন্দেহে একটি জেনেটিক উপাদান- আগে ভাব হতো যে এটা মূলত মায়ের দিক থেকে আসে তবে এখন জানা গেছে টাকের জন্য জিন মা অথবা বাবা যে কারোর থেকেই আসতে পারে। এটাও জানা গেছে যে এর সঙ্গে টেসটোসটের মাত্রার যোগাযোগ রয়েছে তাই টেসটোসটের-বিরোধী ওষুধ টাক লাঘব করতে পারে। তবে এটা সঠিকভাবে কতটা যুক্ত তা জানা যায়নি, কারণ টাক রয়েছে এবং টাক নেই এমন মানুষের টেসটোসটের মাত্রার মধ্যে ফারাকটা জানা নেই।

সাধারণত টাক শুরু হয় হেয়ারলাইন সরে যাওয়া দিয়ে। প্রাথমিকভাবে হেয়ারলাইন সময়গত অঞ্চলে সরে যায়, একটা M আকৃতির প্যাটার্ন তৈরি করে। ধীরে ধীরে মাঝের অংশটাও খোওয়া যায়, উলটোনো U আকৃতি তৈরি করে। এছাড়া মাঝ থেকেও চল পড়ে যায়। অনেকের মাঝ থেকেই চুল পড়া বেশি হতে পারে, আবার অন্যদের মাঝের চুল না পড়ে সামনের দিকের চুলই বেশি পড়ে।

MPB-তে আসলে চুল পড়ে না। টাকওয়ালা মানুষ প্রায়শই খুবই উদ্বেগের মধ্যে পড়ে যান যখন তাঁরা দেখে যে বালিশে প্রচুর চুল পড়ে রয়েছে কিংবা স্নান করার সময় অনেক চুল পড়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের টাকের সঙ্গে এই চুল পড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। MPB বা মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসে কেশ গুটিকা বা চুলের গোড়া ধীরে ধীরে ছোট ও পাতলা হয়ে যায়, এবং তারপর চুলও সূক্ষডম ও খাটো হয়ে যায়। এইভাবে ধীরে শধীরে টাকের জায়গায় স্কাল্প আরো বেশি করে দেকা যেতে থাকে। চুলের কোনো ক্ষতি হয় না, বরং এতে পাতলা ও ছোট হয়ে যাওয়ায় চুলের গুনমানের ক্ষতি হয়। লোকটা ধীরে ধীরে নজর করেন যে তাঁর টাকের জায়গায় চুল কাটার কোনো দরকারই পড়ছে না। এমনকি মারাত্মক টাক রয়েছে এমন মানুষেরও স্কাল্পে সম্পূর্ণ টাকের জায়গাতে আতস কাঁচ নিয়ে দেখলে দেখা যায় যে সেখানে কিছু চুল এখনও রয়েছে। তবে সেগুলি খুব পাতলা এবং খালি চোখে প্রায় দেখাই যায় না, এবং এগুলি খুবই ছোট।


আসামের গুয়াহাটিতে এবং উত্তর পূর্বে ডাঃ পি জে মজুমদার এবং ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক চুল প্রতিস্থাপনের জন্য সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির প্রচলন করলেন। এফ ইউ ই প্রক্রিয়া, যেটি অত্যন্ত কার্যকরী, যন্ত্রণামুক্ত এবং রোগীদের জন্য খুবই আরামদায়ক।
ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক গত তিন বছর ধরে চলছে এবং সমগ্র আসাম ও মেঘালয়া, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বে 500-রও বেশি রোগীকে এখনো পর্যন্ত কার্যকরীভাবে চিকিৎসা করেছে।

মহিলাদেরও টাক পড়ে, তবে পুরুষদের তুলনায় এটা কম স্বাভাবিক। মহিলাদের টাকের ধরন যদিও আলাদা। মহিলাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্যাটার্নের বদলে গোটা মাথা জুড়েই চুল কমতে থাকে। এটাকে বলা হয় ফিমেল প্যাটার্ন বাল্ডনেস। ফিমেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসও জিনেটিক, তবে সরাসরি হর্মোনের সঙ্গে এর কোনো যোগ নেই।

অ্যান্ড্রোজিনেটিক বাল্ডনেস বা মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেস ছাড়াও চুল পড়ার আরো কিছু কারণও রয়েছে:

টেলোজেন এফ্লুভিয়াম:: এটা কোনো ট্রমা বা চাপ থেকে হয়- যেমন মানসিক চাপের একটা সঙ্কটজনক পর্যায়, সংক্রমণ বা অতি জ্বরের মতো সঙ্কটজনক রোগ, বড় অস্ত্রোপচার প্রভৃতি। এর ফলে চুল রেস্টিং ফেজে চলে যায়। এই কারণ হঠাৎ করে একটা ঘটনার প্রায় এক থেকে তিন মাসের মধ্যে অনেকটা করে চুল ঝরতে থাকে। এই কারণে বালিশে বা স্নানের সময় অনেকটা করে চুল পড়ে যায়।





ওষুধ:: উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ বা কোলেস্টেরলের জন্য ব্যবহৃত বেশ কিছু ওষুধের কারণে চুল পড়তে পারে।

আয়রন মেটাবলিজম: আয়রন মেটাবলিজমের ঘাটতি থেকে চুল পড়তে পারে। এমনকি অ্যানেমিয়া না থাকলেও আয়রন মেটাবলিজমের সমস্যার কারণে চুল পড়ে।

হাই কোলেস্টেরল: চুল পড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো হাই কোলেস্টেরল। এর কারণে রক্ত সংবহন কমে যায় এবং তা থেকে স্কাল্পের চুল পাতলা হয়ে যায়।

হাইপোথাইরয়েডিজম: কম থাইরয়েড হর্মোনের কারণেও চুল পড়ে।

ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস থেকেও চুল পড়তে পারে কারণ এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সরবরাহ কমে যায়।

পুষ্টির ঘাটতি: পুষ্টির ঘাটতি বিশেষ করো জিঙ্ক, বায়োটিন ও প্রোটিনের ঘাটতির কারণে চুল পড়ে।

অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা: এটা হলো এমন একটা অটোইমিউন পরিস্থিতি যার কারণে একটা ছোট আবদ্ধ জায়গায় চুল পড়ে যায়, সাধারণ একটা ছোট গোলাকার জায়গায় কোনো চুল থাকে না। এর সঠিক কারণ যদিও জানা যায়নি।

অ্যালোপেসিয়া টোটালিস এবং অ্যালোপেসিয়া ইউনিভার্সালিস: এটা হলো সেই অবস্থা যখন অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা আরো সম্প্রসারিত হয়ে স্কাল্পের পুর চুল ঝরে যায় (অ্যালোপেসিয়া টোটালিস) এবং এমনকি গোটা শরীরজুড়ে যেমন ভ্রু, বগল থেকে চুল লোম ঝরে যায়। পিউবিক হেয়ার বা তলপেটের নিচের অংশের লোম অ্যালোপেসিয়া ইউনিভার্সালিস পর্যন্ত থেকে যায়। এটা হলো সেই অটোইমিউন পরিস্থিতির প্রকোপবৃদ্ধি যার কারণে অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা হয়।

স্কেয়ারিং অ্যালোপেসিয়া: লিউপাস ডিসকয়েড, স্ক্লেরোডার্মা প্রভৃতির মতো ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার কারণে চুল পড়ে যায় তবে এই ধরনের চুল পড়া কোনো ক্ষতচিহ্ন থেকে হয়।


মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেস ছাড়া এগুলিই হলো অন্যান্য সমস্ত কারণ যা থেকে চুল পড়ে। আরো গুরত্বপূর্ণ হলো এগুলি মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসের সঙ্গে জুড়ে যেতে পারে এবং আরো চুল ঝরিয়ে দিতে পারে। তাই চুল পড়ে যাচ্ছে যে রোগীর তাঁর চিকিৎসার সময় এই সমস্ত কারণগুলি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।




ডাঃ পি জে মজুমদার।
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক


এটি অবস্থিত
ডাউনটাউন হসপিটাল, দিসপুর,,
গুয়াহাটি,
আসাম.

ফোন: 09864014046.
.


সঠিক খরচ এবং অন্যান্য তথ্য জানার জন্য, এবং অ্যাপয়মেন্টের জন্য, এই নম্বরে এস এম এস করুন বা সরাসরি ফোন করুন ⇒ 09864014046

অথবা ইমেইল করুন ⇒ email

পরামর্শের সময়:

ডাউনটাউন হসপিটাল:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর 2টা থেকে 5টা পর্যন্ত
ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক,
115 নম্বর ঘর, 1নম্বর বিল্ডিং, ডাউনটাউন হসপিটাল

আরোগ্যম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন বিকেল 5টা থেকে 7টা পর্যন্ত।
ঠিকানা:
আরোগ্যাম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক
রুক্ষ্মিনীগাঁও, জি এস রোড, 6মাইলের দিকে ডাউনটাউন হসপিটাল থেকে প্রায় 50মিটার দূরে।
পিআইবিসিও এবং এইচ ডি এফ সি ব্যাঙ্কের বিপরীতে
ফোন:
09854041111, 8811077011


আপনি যদি আমাদের পরিষেবা উপভোগ করে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে একটা গুগল রিভিউ করে দিন গুগল রিভিউ:
Google Review

গুণমানের নিশ্চয়তা:
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক সেই গুণমান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে যা প্রত্যেক রোগীর ক্ষেত্রেই বজায় রাখা হয়। গুণমান রক্ষণাবেক্ষন বজায় রাখার চাবিকাঠি হলো পরিমাপযোগ্য গুণের মাপকাঠির রূপায়ন ও সঠিক ডকুমেন্টেশন ও প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা বজায় রাখা। ডাউনটাউন হসপিটালটি একটি ISO 9001:2008 এবং NABH স্বীকৃত হসপিটাল যা গুণমান নিয়ন্ত্রণের প্রতি কঠোর আনুগত্য দাবি করে। গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি হলো:

100% নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: সমস্ত প্রক্রিয়াগুলিই করা হয় প্রয়োজনীয় অ্যানাস্থেসিওলজিস্ট ও ক্রিটিকাল কেয়ার স্পেশালিস্টদের দিয়ে ডাউনটাউন হসপিটালের মূল ওটি-তে। তাই রোগীরা ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারি সহ বড় বড় অস্ত্রোপচারের মতোই পূর্ণ নিরাপত্তার মান নিশ্চিত থাকেন।

100% স্টেরিলাইজেশনের নিশ্চয়তা: মেজর ওটি-তেই যেহেতু প্রক্রিয়াগুলি হয় তাই স্টেরিলাইজেশন বজায় থাকে। প্রতি সপ্তাহে ফিউমিগেশন করা হয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সোয়াব টেস্ট করা হয়।

সবচেয়ে ভালো যন্ত্রপাতি: আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক উপলব্ধ সেরা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে যেমন নিখুঁত ও নির্ভুল করতে 6X হাইনে আতস কাঁচ, ব্লান্ট টাইটেনিয়াম পাঞ্চ যা গ্রাফ্টের ক্ষতি ও ট্রান্সেক্শন এড়ায়, রোপন প্রক্রিয়ার মান ধরে রাখতে ও রোপনের সময় ক্ষতি এড়াতে চোই ইমপ্ল্যান্টার্স, বড় ধরনে ওটি স্টেরিলাইজেশন, সমস্ত যন্ত্রপাতির ফিউমিগেশন এবং অটোক্লেভিং প্রভৃতি।

কর্মক্ষমতা গণনা: ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির মতো ফিউ-এর কর্মক্ষমতা গণনাগুলি নোট করা হয় এবং প্রত্যেকটি কেসের জন্য ডকুমেন্টেশন হয় এবং প্রতি 10টি কেসের এই তথ্যগুলি পর্যালোচনা করা হয়। আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ধারাবাহিকভাবে ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির আন্তর্জাতিক মাপকাঠি পূরণ করে আসছে। সঠিক প্রাপক ঘনত্ব: সঠিক প্রাপক ঘনত্ব নিশ্চিত করতে, ‘ডেনসিটি স্ট্যাম্প’ ব্যবহার করা হয়। চুলের কোণ ও দিশাগুলি নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়।

আউট অব বডি টাইম: আউট অব বডি টাইম হলো সেই সময়টা যতক্ষণ গ্রাফ্ট শরীরের বাইরে থাকে, কেশ প্রতিস্থাপনে সাফল্যের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই সময়টা যাতে ন্যূনতম হয় তা নিশ্চিত করতে আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যানডট একটা বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে। একবারে শুধুমাত্র 500-600 গ্রাফ্ট নিয়ে কাজ করে এবং সেগুলিকে নতুন করে রোপন করেই এটা করা হয়। এর ফলে নিশ্চিত করা যায় যেন আউট অব বডি টাইম 1 ঘন্টা বা তার থেকেও কম সময় হয়।এই সংক্ষিপ্ততম সময়টাই অর্জনযোগ্য। বহু সেন্টারই একই বারে 2000-2500 গ্রাফ্ট করে ফলে আউট অব বডি টাইম 4-5ঘন্টা হয়ে যায়। আমরা আমাদের আউট অব বডি টাইম নিয়েই গর্বিত। এতে যদিও কিছুটা সময় দিতে হয় কিন্তু ফলাফল আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফলো আপ: রোগীদের মনে যখন অনেক সন্দেহ ও উদ্বেগ থাকে তখন এই ফলো আপ পর্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে রোগীদের কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ক্লিনিকে, ড. পি. জে. মজুমদারের সঙ্গে রোগীরা সবসময় যোগাযোগ করতে পারেন তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে।



ড. পি. জে. মজুমদারের শিক্ষাগত শংসাপত্র এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: শিক্ষাগত শংসাপত্র। তাঁর জীবনবৃত্তান্ত এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: জীবনবৃত্তান্ত। যোগাযোগের ঠিকানা ও অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণ জানার জন্য যোগাযোগ-এ যান। ব্লগে বরভিন্ন ব্লগ পোস্ট রয়েছে মূলত যা কেশ প্রতিস্থাপনের উপরেই। ডাউনটাউন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিকে করা কেশ প্রতিস্থাপন কেসগুলির ছবি দেখতে গ্যালারিতে যান। ব্লগ, ফোরাম ও গ্যালারি পেজগুলি এখনও নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে, অনুগ্রহ করে মাস খানেক পর আবার দেখুন।

পলাশ মজুমদারের দ্বারা রচিত

নিবন্ধের তালিকা

List of articles



ৰচনাৰ সুচী

आलेखों की सूची