কেশ প্রতিস্থাপনের মূলতত্ব



কেশ প্রতিস্থাপন হলো শরীরের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চুল প্রতিস্থাপন করে চুল যেখানে পড়ে গেছে সেখানকার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি।

প্রাথমিকভাবে এটা মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসে ব্যবহৃত হয়, তবে ট্রমা, পুড়ে যাওয়া, অস্ত্রোপচারজনিত ক্ষত প্রভৃতির কারণে চুল পড়ে গেলে ফিমেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসেও কাজে লাগানো হয়।

মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেসের প্রচুর কেস, 95% পর্যন্ত। মূলত দু ধরনের রোগী, প্রথম অংশে থাকে কমবয়সী ছেলেরা যাদের কুড়ি-বাইশ বছরেই ব্যাপক টাক পড়ে গেছে এবং দ্বিতীয় অংশটা হলো চল্লিশ পেরোনো পুরুষ, বয়সের তুলনায় যাঁদের গড়ে অনেক বেশি চুল পড়ে গেছে।





কেশ প্রতিস্থাপন হলো একটি প্রসাধনী প্রক্রিয়া।এটিপুরোপুরিভাবে একটি ঐচ্ছিক পদ্ধতিএবংরোগীর ব্যক্তিগত আকাঙ্খাই এই অপারেশন করার বিষয়ে মূল চালিকা শক্তি। এই পদ্ধতি থেকে অপরিমেয় সুবিধা হতে পারে। যাদের টাক রয়েছে, সেই টাক ওই মানুষটির সামাজিক ও পেশাদারী উভয় জীবনকেই প্রভাবিত করতে পারে, এবং স্পর্শকাতর মানুষ এ সম্পর্কে খুবই আত্মসচেতন হয়ে যান এবং অন্যদের সাথে নিঃশংসয়ে আলাপ করতে পারেন না। একটা কেশ প্রতিস্থাপনই এই পরিস্থিতিতে জীবন বদলে দিতে পারে।

মেল প্যাটার্ন বাল্ডনেস বা অ্যান্ড্রোজিনেটিক অ্যালোপেসিয়া জেনেটিক্যালি নিয়ন্ত্রিত হয়। কেশ গুটিকাগুলি জেনেটিক্যালি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয় যাতে একটা নি্র্দিষ্ট বয়সের পর কেশ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় যা বংশগত কারণ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই জিনগুলি টেস্টোস্টেরনের প্রভাবে সক্রিয় হয়। নরউড স্কেল অনুযায়ী চুল পড়ার শ্রেণী বিভাগ করা হয় এবং 1 থেকে 7 গ্রেড দেওয়া হয়। সাধারণত গ্রেড 6 ও 7 হলো, একেবারেই গোটা জায়গা জুড়ে চুল পড়া, এই পরিস্থিতিটা মোটেই কেশ প্রতিস্থাপনের জন্য উপযুক্ত নয়। টাক পড়ার সময় চুল সরাসরি পড়ে না, বরং চুল প্রথমে পাতলা ও তুলনায় ছোট হতে শুরু করে এবং তার পূর্ণ দৈর্ঘ্যে পৌঁছায় না। এই ভাবে মাথার খুলি ঢাকতে চুলের ঘনত্ব কমে যায়। বালিশে যে চুল দেখা যায় ও স্নান করার সময় যেগুলি দেখা যায় তা কিন্তু টাকের কারণে নয়।

Downtown Arogyam Hair Transplant Clinic performed the first FUE Hair Transplant in Guwahati, Assam and the North East in 2012 and offers the best and most cost effective results in completely modern and hospital based setting for total safety. More than 500 procedures have been performed and more than 5000 patients treated till date from all over the North East and other Indian states and including patients from outside India.
Dr. P. J. Mazumdar is the first and only American Board Certified Diplomate in Hair Transplant from the American Board of Hair Restoration Society in North East India and all procedures and counselling are performed strictly according to standard American and International ethical and technological guidelines in accord with best practices and the latest advances in knowledge.
Read more here

ইতিহাস

চুল প্রতিস্থাপনের প্রথম নথিভুক্ত ঘটনাগুলি উনিশ শতকের প্রথম দিকে শুরু হয়েছিল যখন কিছু শল্যবিদ কেশবিহীন এলাকায় মাথার খুলি ফ্ল্যাপ প্রতিস্থাপন করেন এবং গ্রাফ্ট রোপন করেন। 1930 সাল নাগাদ জাপানে কেশ প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল যখন নষ্ট হয়ে যাওয়া ভ্রু বদলাতে কেশ প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। কেশ প্রতিস্থাপনের আধুনিক যুগ শুরু হয়েছিল 50-এর দশকের শেষ দিকে যখন ড. এন. ওরেনট্রিচ টাকের জায়গায় ফ্রি ডোনার গ্রাফ্ট প্রতিস্থাপন করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন যে কেশের স্থায়িত্ব হলো ‘ডোনার ডমিনেন্ট’, অর্থাৎ একটা চুলের আয়ু নির্দারণ করা হয় সেই জায়গাটা দিয়ে যেখানে এটি মূলত বাড়ে এবং সেই জায়গা দিয়ে নয় যেখানে এটা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। ড. পি. ওয়াল্টার ‘সেফ ডোনার জোন’-কে সংজ্ঞায়িত করেন যেখানে চুলগুলি সর্বোচ্চ আয়ুর স্থায়িত্ব নিয়ে থাকে। শল্যবিদরা ছোট ছোট ও ছোট গ্রাফ্ট প্রতিস্থাপন করতে প্রযুক্তির বিকাশ চালিয়ে যান। প্রাথমিকভাবে পাঞ্চ গ্রাফ্ট নেওয়া হয়েছিল, তবে নতুন চুলগুলি দেখতে অস্বাভাবিক লাগতো। 1990-এ লিমের মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে স্ট্রিপ থেকে ফলিকিউলার হেয়ার ইউনিট বিচ্ছেদ করার প্রযুক্তি আবিষ্কার করলেন। তারপর থেকেই ফলিকিউলার ইউনিটই হয়ে গেলো প্রতিস্থাপনের জন্য সর্বোচ্চ মাপকাঠি। 2002সালে সিঙ্গল ফলিকিউলার ইউনিটের উৎপাদন করে FUE আবিষ্কার হলো। প্রাথমিকভাবে 2004সাল পর্যন্ত ম্যানুয়াল পাঞ্চ ব্যবহৃত হতো, FUE-তে মোটোরাইজড ড্রিল ব্যবহার করা শুরু হয় এবং বর্তমানে এটাই সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি।

পদ্ধতি:

‘সেফ ডোনার জোন’-এর ধারণাটিই হলো কেশ প্রতিস্থাপনের বুনিয়াদ। এটা দেখা গেছে যে বেশিরভাগ টাকওয়ালা ও বয়স্ক মানুষেরও ওসিপিটাল ও টেম্পোরাল এরিয়াতে চুল থেকে যায়। এইগুলি হলো সেই জায়গা যেখানে চুলগুলি জেনেটিকালি প্রোগ্রাম করা থাকে যাতে সেগুলি সারা জীবন ধরে থাকে। এটাই চুল প্রতিস্থাপনের জন্য অববাহিকা গঠন করে। এই অঞ্চল থেকে চুল নেওয়া হয় এবং তারপর টাকের জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হয়। প্রতিস্থাপিত চুলগুলি সারাজীবন থাকে এবং এটাই কেশ প্রতিস্থাপনকে এত মূল্যবান বানিয়েছে।





কেশ প্রতিস্থাপন দুটি প্রধান পদ্ধতিতে করা হয়, FUT এবং FUE। এগুলির মধ্যে শুধুমাত্র তফাৎ হলো কীভাবে চুল তোলা হচ্ছে, একইভাবে কীভাবে কেশ রোপন করা হচ্ছে।

আধুনি পদ্ধতি FUE-তে 1মিমি বা তারও ছোট একটা ড্রিল ব্যবহার করা হয় সাবধানতার সঙ্গে 1 থেকে 4টি চুল রয়েছে এমন পৃথক কেশ গুটিকা তুলে নিয়ে আসতে। এতে ছোট বৃত্তাকার একটা গর্ত পেছনে রয়ে যায় যা থেকে খুলির কিছুই দেখা যায় না। 4টি কেশ গুটিকার থেকে 1টি ড্রিল করে বের করা হয় এবং তাই দাতা এলাকায় ঘনত্বের কোনো পরিবর্তন নজরে আসে না। রোপন পদ্ধতিও ওই একই রকম।

রোপনের মৌলিক পদ্ধতিটা হলো একটা ছোট ছিদ্র করে তারপর তার মধ্যে কেশ গুটিকা ঢুকিয়ে দেওয়া। ছিদ্রটা করা যায় একটা ছোট স্কালপেল বা সূঁচ দিয়ে। সম্প্রতি চোই ইমপ্ল্যান্টারের মতো কাস্টোমাইজড ট্রান্সপ্ল্যান্টার আবিষ্কৃত হয়েছে যা এই প্রক্রিয়াটিকে দ্রুততর ও সহজতর করেছে। রোপন সাধারণত অ্যাসিস্ট্যান্টরাই করে থাকেন।

LA বা লোকাল অ্যানাস্থেসিয়া করেই উভয় প্রক্রিয়া করা হয়। FUE-র একটা বড় সুবিধা হলো অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পর্যায়ে এটা খুব কমই যন্ত্রণাদায়ক এবং এটা কোনো ক্ষতচিহ্ন রেখে যায় না। এর একটা অসুবিধা হলো, এর জন্য অনেক বেশি সময় ও আরো বেশি সেসনের দরকার পড়ে। FUT-এ রোগীর মাথায় একটা সেলাই পড়ে যা থেকে কয়েকমাস যাবৎ এমনকি ক্ষত সেরে গেলেও একটা অস্বস্তি থেকে যায়। FUE-তে প্রতিদিন গড়ে প্রায় 1000 চুল বসানো হয়, যেখানে FUT-এ একদিনেই 2000 পর্যন্ত চুল বসানো যেতে পারে। সাধারণত একদিনের একটা সেশন প্রায় 6 ঘন্টা ধরে হয়। কোনো সমস্যা ছাড়াই যদিও এর মাঝেই লাঞ্চ, টয়লেট ব্রেক নেওয়া যেতে পারে। সেসন শেষ হওয়ার পরে রোগী বাড়ি চলে যেতে পারেন এবং দরকার হলে পরদিন দ্বিতীয় সেসনের জন্য আসতে পারেন। সাধারণত FUT-এর থেকে FUE বেশি খরচ সাপেক্ষ হয় কারণ শল্যবিদকে অনেক বেশি সময় ব্যয় করতে হয়।

রোপনের জন্য, শল্যবিদকে ঠিক করতে হয় হেয়ারলাইনটা কেমন দেখতে হবে এবং তারপর সেটা দাগ দিয়ে এঁকে নিতে হয়। কত চুল প্রতিস্থাপিত করা হবে, রোগীর বয়স, আরো আসল চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা, স্বাভাবিক দেখতে লাগা, পরিকল্পিত চুলের ঘনত্ব, এই সমস্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করা দরকার। হেয়ারলাইন আঁকাটা বিজ্ঞানের থেকে বড় একটা শিল্পকর্ম।

প্রাক-অস্ত্রোপচার ও অস্ত্রোপচার পরবর্তী

প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর, রোগীর মাথার পেছন দিকে একটা ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া হয় কিন্তু প্রতিস্থাপন করা জায়গাটা ফাঁকাই থাকে। প্রতিস্থাপিত চুলগুলি ঘষা এড়িয়ে যাওয়ার মতো ন্যূনতম কিছু সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়। পরদিন থেকে প্রতিস্থাপিত জায়গাটা ঢেকে রাখার জন্য রোগী একটা টুপি ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্যাব যাতে ধুয়ে না যায় তার জন্য 4-7দিনের আগে স্যাম্পু না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিস্থাপিত চুলের বেশিরভাগই প্রায় 20দিনের মধ্যে পড়ে যাবে একে বালা হয় ‘শক লস’। তারপর 3মাসের মধ্যে ওই গোড়াগুলি থেকে নতুন চুল গজাতে শুরু করবে কারণ প্রতিস্থাপনের পর শিকড়গুলি ভেতরে গেঁথে গেছে এবং 12মাসের মধ্যে পূর্ণ ঘনত্বে পৌঁছাবে। প্রতিস্থাপন করা কেশগুটিকাগুলি 80 থেকে 90% টিকে যাবে বলে আশা করা যায়।

প্রক্রিয়ার আগে রোগীর মানসিকতা মূল্যায়ণ করা হবে। তাঁর চাহিদা বুঝে নেওয়া হবে এবং প্রক্রিয়ার সম্ভবনা ও সীমাবদ্ধতাগুলি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। রোগীকে এও বোঝানো দরকার যে তাঁর প্রকৃত চুলের প্যাটার্ন আর ফিরে আসবে না, শুধু মাত্র একটা স্বাভাবিক হেয়ারলাইন পাওয়ার মাধ্যমে একটা ছদ্মবেশের আড়াল পাওয়া যাবে এবং চুলে ঘনত্ব বাড়ার আশা করা যেতে পারে। কী পরিমাণ ভচুল ঝরে গেছে, খরচ, রোগীর প্রত্যাশা প্রভৃতির ভিত্তিতে কতটা চুল প্রতিস্থাপন করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রাথমিকভাবে রোগী একটা ছোট প্রতিস্থাপন করাতে পারেন এবং তারপর 3বছর পর বা তারও বেশি সময় পরে আবার ইমপ্ল্যান্টের জন্য আসতে পারেন কারণ ততদিনে আসল চুল আরো ঝরে যাবে।

FUE ব্যবহার করে শল্যবিদরা এখন বুক, পিঠ, হাত ও পা থেকে লোম ব্যবহার করতে সক্ষম। লোম স্থায়ী কিন্তু এগুলি দৈর্ঘ্যে ছোট হয়। এই ধরনের লোম ব্যবহার করে 10000 পর্যন্ত চুল প্রতিস্থাপন করা যায়। তবে এটা কেবলমাত্র সেই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রেই করা যেতে পারে যাঁরা বেশি ঘনত্ব চান। গড়পরতা রোগীরা 1000 থেকে 2000 চুল প্রতিস্থাপনেই সাধারণত সন্তুষ্ট থাকেন। কয়েক বছর ধরে বেশ কয়েকটা সেসনে এটা করা যেতে পারে।

উপসংহার

আজকাল অন্যান্য যাবতীয় প্রসাধনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে কেশ প্রতিস্থাপনও খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মানুষ যেহেতু আরো বিলাসিতা এবং অনাবশ্যক সময় আছে, তাই সাফল্য ও সুখের পেছনে দৌড়তে কেউই পিছপা হন না। 2010সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 100000 এবং বিশ্বজুড়ে 280000 কেশ প্রতিস্থাপন হয়েছে। গত তিন বছর ধরে এশিয়াতেও এটা খুবই দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, এবং ভারতেও সেই দ্রুত বিকাশ নজরে পড়ছে। শুধুমাত্র পুরুষদের টাকের চিকিৎসা নয় মহিলাদের চুল পড়া ও অক্ষিপল্লব ও চোখের ভ্রুতে প্রতিস্থাপন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সমস্ত প্রসাধনী প্রক্রিয়ার মতো এটাও একটা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। যাঁরা মনে করেন যে টাক তাঁদের একটা সীমাবদ্ধতা, তাঁদের কাছে কেশ প্রতিস্থাপন ন্যূনতম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অপূর্ণতা সহ একটা নিরাপদ ও কার্যকরী প্রক্রিয়া।

ডাউনটাউন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক এখন ডাউনটাউন হসপিটাল চালু করেছে উত্তর-পূর্বের মানুষের কাছে এই প্রক্রিয়ার সুবিধা এনে দিতে। এই কেন্দ্রে মোটরচালিত ড্রিল দ্বার সর্বশেষ FUE প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। উদ্দেশ্যটা হলো একটি সাশ্রয়ী খরচে সর্বশেষ প্রযুক্তি প্রদান এবং যার ফলে এই অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবেন।






ডাঃ পি জে মজুমদার।
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক


এটি অবস্থিত
ডাউনটাউন হসপিটাল, দিসপুর,,
গুয়াহাটি,
আসাম.

ফোন: 09864014046.
.


সঠিক খরচ এবং অন্যান্য তথ্য জানার জন্য, এবং অ্যাপয়মেন্টের জন্য, এই নম্বরে এস এম এস করুন বা সরাসরি ফোন করুন ⇒ 09864014046

অথবা ইমেইল করুন ⇒ email

পরামর্শের সময়:

ডাউনটাউন হসপিটাল:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর 2টা থেকে 5টা পর্যন্ত
ডাউনটাউন আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট ক্লিনিক,
115 নম্বর ঘর, 1নম্বর বিল্ডিং, ডাউনটাউন হসপিটাল

আরোগ্যম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক:
রবিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন বিকেল 5টা থেকে 7টা পর্যন্ত।
ঠিকানা:
আরোগ্যাম মাল্টিস্পেশালিটি হেল্থ ক্লিনিক
রুক্ষ্মিনীগাঁও, জি এস রোড, 6মাইলের দিকে ডাউনটাউন হসপিটাল থেকে প্রায় 50মিটার দূরে।
পিআইবিসিও এবং এইচ ডি এফ সি ব্যাঙ্কের বিপরীতে
ফোন:
09854041111, 8811077011


আপনি যদি আমাদের পরিষেবা উপভোগ করে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে একটা গুগল রিভিউ করে দিন গুগল রিভিউ:
Google Review

গুণমানের নিশ্চয়তা:
আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক সেই গুণমান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে যা প্রত্যেক রোগীর ক্ষেত্রেই বজায় রাখা হয়। গুণমান রক্ষণাবেক্ষন বজায় রাখার চাবিকাঠি হলো পরিমাপযোগ্য গুণের মাপকাঠির রূপায়ন ও সঠিক ডকুমেন্টেশন ও প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা বজায় রাখা। ডাউনটাউন হসপিটালটি একটি ISO 9001:2008 এবং NABH স্বীকৃত হসপিটাল যা গুণমান নিয়ন্ত্রণের প্রতি কঠোর আনুগত্য দাবি করে। গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি হলো:

100% নিরাপত্তার নিশ্চয়তা: সমস্ত প্রক্রিয়াগুলিই করা হয় প্রয়োজনীয় অ্যানাস্থেসিওলজিস্ট ও ক্রিটিকাল কেয়ার স্পেশালিস্টদের দিয়ে ডাউনটাউন হসপিটালের মূল ওটি-তে। তাই রোগীরা ট্রান্সপ্লান্ট সার্জারি সহ বড় বড় অস্ত্রোপচারের মতোই পূর্ণ নিরাপত্তার মান নিশ্চিত থাকেন।

100% স্টেরিলাইজেশনের নিশ্চয়তা: মেজর ওটি-তেই যেহেতু প্রক্রিয়াগুলি হয় তাই স্টেরিলাইজেশন বজায় থাকে। প্রতি সপ্তাহে ফিউমিগেশন করা হয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সোয়াব টেস্ট করা হয়।

সবচেয়ে ভালো যন্ত্রপাতি: আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিক উপলব্ধ সেরা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে যেমন নিখুঁত ও নির্ভুল করতে 6X হাইনে আতস কাঁচ, ব্লান্ট টাইটেনিয়াম পাঞ্চ যা গ্রাফ্টের ক্ষতি ও ট্রান্সেক্শন এড়ায়, রোপন প্রক্রিয়ার মান ধরে রাখতে ও রোপনের সময় ক্ষতি এড়াতে চোই ইমপ্ল্যান্টার্স, বড় ধরনে ওটি স্টেরিলাইজেশন, সমস্ত যন্ত্রপাতির ফিউমিগেশন এবং অটোক্লেভিং প্রভৃতি।

কর্মক্ষমতা গণনা: ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির মতো ফিউ-এর কর্মক্ষমতা গণনাগুলি নোট করা হয় এবং প্রত্যেকটি কেসের জন্য ডকুমেন্টেশন হয় এবং প্রতি 10টি কেসের এই তথ্যগুলি পর্যালোচনা করা হয়। আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ধারাবাহিকভাবে ট্রান্সেকশনের হার ও রোপনের গতির আন্তর্জাতিক মাপকাঠি পূরণ করে আসছে। সঠিক প্রাপক ঘনত্ব: সঠিক প্রাপক ঘনত্ব নিশ্চিত করতে, ‘ডেনসিটি স্ট্যাম্প’ ব্যবহার করা হয়। চুলের কোণ ও দিশাগুলি নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়।

আউট অব বডি টাইম: আউট অব বডি টাইম হলো সেই সময়টা যতক্ষণ গ্রাফ্ট শরীরের বাইরে থাকে, কেশ প্রতিস্থাপনে সাফল্যের জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই সময়টা যাতে ন্যূনতম হয় তা নিশ্চিত করতে আরোগ্যম হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যানডট একটা বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করে। একবারে শুধুমাত্র 500-600 গ্রাফ্ট নিয়ে কাজ করে এবং সেগুলিকে নতুন করে রোপন করেই এটা করা হয়। এর ফলে নিশ্চিত করা যায় যেন আউট অব বডি টাইম 1 ঘন্টা বা তার থেকেও কম সময় হয়।এই সংক্ষিপ্ততম সময়টাই অর্জনযোগ্য। বহু সেন্টারই একই বারে 2000-2500 গ্রাফ্ট করে ফলে আউট অব বডি টাইম 4-5ঘন্টা হয়ে যায়। আমরা আমাদের আউট অব বডি টাইম নিয়েই গর্বিত। এতে যদিও কিছুটা সময় দিতে হয় কিন্তু ফলাফল আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ফলো আপ: রোগীদের মনে যখন অনেক সন্দেহ ও উদ্বেগ থাকে তখন এই ফলো আপ পর্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পর্বে রোগীদের কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাদের ক্লিনিকে, ড. পি. জে. মজুমদারের সঙ্গে রোগীরা সবসময় যোগাযোগ করতে পারেন তাঁর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে।



ড. পি. জে. মজুমদারের শিক্ষাগত শংসাপত্র এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: শিক্ষাগত শংসাপত্র। তাঁর জীবনবৃত্তান্ত এখানে পরীক্ষা করা যেতে পারে: জীবনবৃত্তান্ত। যোগাযোগের ঠিকানা ও অন্যান্য বিস্তারিত বিবরণ জানার জন্য যোগাযোগ-এ যান। ব্লগে বরভিন্ন ব্লগ পোস্ট রয়েছে মূলত যা কেশ প্রতিস্থাপনের উপরেই। ডাউনটাউন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট ক্লিনিকে করা কেশ প্রতিস্থাপন কেসগুলির ছবি দেখতে গ্যালারিতে যান। ব্লগ, ফোরাম ও গ্যালারি পেজগুলি এখনও নির্মাণ পর্যায়ে রয়েছে, অনুগ্রহ করে মাস খানেক পর আবার দেখুন।

পলাশ মজুমদারের দ্বারা রচিত

নিবন্ধের তালিকা

List of articles



ৰচনাৰ সুচী

आलेखों की सूची